কলারোয়া প্রতিদিন নিউজ ডেস্ক
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা তারেক মনোয়ারের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি তার বক্তব্যে অতীতের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সতর্কতামূলক মন্তব্য করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
একই সঙ্গে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেকের বিভিন্ন সময়ের অবস্থান ও বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। সমালোচকদের দাবি, অতীতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তার ভূমিকা এবং অবস্থান নিয়ে জনমনে আলোচনা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে অনেকে উল্লেখ করেন, এক সময়ে আল্লামা মামুনুল হকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করার ঘটনাও আলোচনায় এসেছিল। সমালোচকদের মতে, সে সময় বিষয়টি নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিবাদ দেখা যায়নি।
এছাড়া জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে জাতীয় বিভিন্ন ইস্যু, গণভোট, জুলাই সনদ কিংবা আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট বিচার প্রসঙ্গে মাওলানা আব্দুল মালেকের প্রকাশ্য বক্তব্য তুলনামূলকভাবে কম শোনা গেছে বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে। তাদের প্রশ্ন, জাতীয় মসজিদের খতিব হিসেবে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার আরও সক্রিয় ভূমিকা থাকা উচিত কি না।
অন্যদিকে, খতিবের সমর্থকরা বলছেন, একজন আলেম বা খতিব কোন বিষয় নিয়ে কখন বক্তব্য দেবেন, তা সম্পূর্ণ তার নিজস্ব বিবেচনার বিষয়। কোনো বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করাকে নির্দিষ্ট পক্ষের প্রতি সমর্থন বা বিরোধিতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও তারা মনে করেন।
সামগ্রিকভাবে, তারেক মনোয়ারের বক্তব্য এবং মাওলানা আব্দুল মালেকের ভূমিকা নিয়ে চলমান আলোচনা ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। পরিশেষে বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ আল্লামা তারেক মনোয়ার আনুষ্ঠানিক নিজের এটি ফেসবুক না তার নামে চালানো হয়েছে তিনি নিজে ফেসবুক পেজ চালান না মর্মে তথ্য স্পষ্ট করেছেন যেটা গণমাধ্যমে পাওয়া গেছে।