মোঃ রাশিদুল কবির সবুজ
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত জুলাই স্মৃতি ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় জালালাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলা শুরুর আগেই মাঠের চারপাশে দর্শকদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে পুরো মাঠ ও আশপাশের এলাকা দর্শকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মু. শামসুল আলম বুলবুল, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান রোমেল, জালালাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল মোনায়েম, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন এবং সেক্রেটারি আমিনুর রহমান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে জালালাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী, যুব ও ক্রীড়া বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, খেলোয়াড়, সংগঠক ও বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।
ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জালালাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শকরাও মাঠে উপস্থিত হয়ে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন। খেলায় অংশ নেওয়া দুই দলই জয়ের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালায়। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ফাইনাল ম্যাচটি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
স্থানীয়দের মতে, একটি সুন্দর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন হলে তরুণদের মাঠমুখী করা সম্ভব হবে।
আয়োজকরা বলেন, যুবসমাজকে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে সম্পৃক্ত করা, খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জালালাবাদসহ কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকায় ক্রীড়া কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
জুলাই স্মৃতি ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালকে ঘিরে জালালাবাদে দিনব্যাপী ছিল উৎসবের আমেজ। খেলা শেষে আয়োজক, খেলোয়াড় ও উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।