নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ইউনিয়ন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, যুবকদের বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং আসন্ন জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) মাগরিবের নামাজের পর লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন জামায়াত কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মো. আজাহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. রাশিদুল কবির সবুজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. মশিয়ার রহমান।
এ সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের শুরুতে সংগঠনের চলমান কার্যক্রম, ওয়ার্ড পর্যায়ের সাংগঠনিক অবস্থা এবং যুবকদের আরও সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়া কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। দায়িত্বশীলরা নিজ নিজ এলাকায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
সভায় আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ফাইনাল খেলাকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি, খেলোয়াড়দের সহযোগিতা, দর্শকদের শৃঙ্খলা এবং আয়োজক কমিটির বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াতি পক্ষ পালন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়। এ সময় যুব বিভাগের দায়িত্বশীলদের নিজ নিজ এলাকায় দাওয়াতি কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, যুবসমাজ দেশের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও গঠনমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। খেলাধুলার মাধ্যমে যুবকদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠকে আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও দাওয়াতি পক্ষের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানানো হয়।
শেষে দেশ, জাতি ও সংগঠনের কল্যাণ কামনা করে বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।