কলারোয়া প্রতিনিধি:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কলারোয়া পৌরসভার টেন্ডারসংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে মূল্যায়ন ও কার্যাদেশ প্রদান পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে বিধি অনুসরণের দাবি করেছেন পৌরসভার প্রশাসক।
প্রশাসকের বক্তব্য অনুযায়ী, পৌরসভার সংশ্লিষ্ট উন্নয়নকাজের দরপত্র আহ্বান, মূল্যায়ন ও কার্যাদেশ প্রদানের প্রতিটি ধাপে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিবিধান, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (পিপিএ), পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর) এবং ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ম্যানুয়াল অনুসরণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলীর মাধ্যমে সরকারি ই-জিপি পোর্টালে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরবর্তী সময়ে সহকারী প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকৌশলী এবং পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) সমন্বয়ে দরপত্র মূল্যায়ন করা হয়। মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষে পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে তিনি কার্যাদেশ প্রদান করেন।
প্রশাসকের দাবি, পুরো প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে এবং দরপত্রসংক্রান্ত কার্যক্রম আইনসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আরএফকিউ (রিকোয়েস্ট ফর কোটেশন) পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশাসক বলেন, সাধারণ উন্মুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের যে নিয়ম রয়েছে, আরএফকিউ পদ্ধতির ক্ষেত্রে তা একইভাবে প্রযোজ্য নয়। তবে সরকারি ই-জিপি পোর্টালে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ব্যবস্থা রয়েছে এবং আলোচ্য ক্ষেত্রেও তা অনুসরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে, প্রশাসকের পক্ষ থেকে কলারোয়া উপজেলা ও পৌর এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর দাবি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অসহায় মানুষের আবাসনের ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসেবাসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে তিনি স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন।
এছাড়াও উপজেলা চত্বর এবং বাইরের সৌন্দর্য বর্ধন করার জন্য কাজ করছেন যা চলমান আছে।
কলারোয়া উপজেলার সার্বিক উন্নয়নের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আগামী ছয় মাসের ভিতরে কলারোয়া উপজেলার মানুষ বুঝতে পারবে কলারোয়া একটি মডেল উপজেলা হিসেবে দেখতে পারবে।