সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশে খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ উদ্বেগজনক হারে ঘটেছে। এ সময়ে ৬০৫টি খুন এবং ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ২০৯ জন নারী ও শিশু বলে তথ্য জানিয়েছে ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’ (টিআইবি)।
সংস্থাটি বলছে, বিএনপি সরকার গঠনের পর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
“সরকার গঠনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মব সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা ঘোষণা, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেও বিভিন্ন হাটবাজার, পরিবহন খাত, বাসস্ট্যান্ড, ট্রাকস্ট্যান্ড ইত্যাদি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও চাঁদাবাজি, মাদকব্যবসা, চুরি-ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা লক্ষণীয় মাত্রায় বিদ্যমান। এসব ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি চাঁদাবাজিকে একজন মন্ত্রীর বৈধতা দানের প্রচেষ্টা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে।”
রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’ (টিআইবি)।
প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন- টিআইবির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মো. জুলকারনাইন ও রিসার্চ ফেলো রাজিয়া সুলতানা।
বক্তব্য দেন- সংস্থাটি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
উপস্থিত ছিলেন- টিআইবির উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামান, গবেষণা সহযোগী মো. সহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
টিআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলছে, সরকারের ক্ষমতার ১০০ দিনের কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হলো- সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট নেওয়ার বিশেষ সুবিধা বাতিল করা। প্রধানমন্ত্রীর চলাচলে ভিভিআইপি প্রটোকল এবং বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করা। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়া। জ্বালানিসহ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার এবং প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বাসভবন ব্যবহার না করা।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের উপস্থিতির চর্চা বাতিল। ব্যক্তিগত সফরে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সরকারি সুবিধা নিলে ব্যয় পরিশোধ করার নির্দেশনা জারি। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বিদেশে পাচায় হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৩টি দেশের সঙ্গে চুক্তি ও একটি দেশে পাচারকৃত সম্পদ জব্দ করা।
সরকারি কর্মচারীদের সকাল ৯টায় কার্যালয়ে উপস্থিতি ও প্রথম চল্লিশ মিনিট অন্য কোনো কাজে কার্যালয়ের বাইরে না যাওয়া বাধ্যতামূলক করা। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ও দপ্তর ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।
প্রধানমন্ত্রীর সকাল ৯টায় মন্ত্রণালয়ে উপস্থিতি ও তদারকি করা। কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও খাতের সেবা কার্যক্রম তদারকির ক্ষেত্রে মন্ত্রীদের আকস্মিক পরিদর্শন ও ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ। নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকারের ১৮০ দিনের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা। নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ে দৃশ্যমান সাফল্য প্রমাণে ব্যর্থ বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা।
৬ মাস পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের কাজের অগ্রগতি মূল্যায়নের ঘোষণা। এছাড়াও রয়েছে কৃষক কার্ড; দারিদ্র নিরসন ও নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড; খাল খনন; বৃক্ষরোপণ; ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদের ভাতা প্রদান; ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা প্রদান ইত্যাদি কার্যক্রম শুরু।
প্রতিবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত ‘অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র’ শীর্ষক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে মোট ৬০৫টি খুন, ২৯৪টি ছিনতাই, ৯০টি ডাকাতি এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ১২৯টি এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ২১৪টি। নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ৩ হাজার ৪৯৬টি। এছাড়া, আলোচিত এই সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৮ থেকে ১০২ জন, গণধর্ষণের শিকার ৩০ থেকে ৩৬ জন এবং ধর্ষণের শিকার শিশু ৪৯ থেকে ৭১ জন।
টিআইবি বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে সার্চ কমিটি থাকলেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দলীয় বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একজনকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সহ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিন ও প্রভোস্ট পদে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিবর্তন, সরকার গঠনের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন, সংঘর্ষ ও সহিংসতা। উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ইত্যাদি ইস্যুতে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র দুইটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
টিআইবি বলছে, সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে শপথ ইস্যুতে এবং সংবিধান ‘সংস্কার’ ও ‘সংশোধন’ নিয়ে ভিন্নঅবস্থান দেখা গেছে। জাতীয় স্বার্থে মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারার চর্চা অব্যাহত। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন বিষয়ে জুলাই সনদে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট থাকায় তা বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান নিয়ে সংসদে বিতর্ক। সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না এলে বিরোধী দলের রাজপথে আন্দোলনের হুমকি। জুলাই সনদ নিয়ে সরকারি দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের ভিন্নভিন্ন বক্তব্য জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে সংশয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বারবার জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে বলা হলেও দলের অন্যান্য নেতাদের ভিন্নবক্তব্য।
যেমন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন ‘সংস্কারের’ ‘বাহানায়’ যদি নির্বাচন হতে না দেয়। সে জন্য সবকিছুতে আপস করে জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছি। সংবিধান সংস্কারে সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনে বিরোধী দলের ৫০ শতাংশ সদস্য রাখতে বিরোধী দলের প্রস্তাব, এখানে সরকারি দলের আপত্তি।
টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, ঋণখেলাপি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ এবং দুর্বল ব্যাংকের অভিযুক্ত শেয়ারধারীদের ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার মতো বিতর্কিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পূর্বে ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত, বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য একজন ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া। ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬-এ একীভূত হওয়া দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের কোনো ধরনের জবাবদিহিব্যতিরেকে আবারও ব্যাংকের মালিকানায় ফেরার সুযোগের বিধান যুক্ত করার মাধ্যমে চিহ্নিত লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ।
ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে। বিভিন ব্যাংকের পরিচালনায় দলীয় ব্যক্তিদের প্রবেশের চেষ্টা। ঋণ খেলাপিদের ১ শতাংশ নগদ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিল করার সুযোগ প্রদান করার পূর্বের চর্চা অব্যাহত রয়েছে। একক গ্রাহক ঋণসীমায় শিথিলতা। একজন ঋণগ্রহীতাকে ব্যাংকের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ ঋণ দেয়ার সুযোগ (যা পূর্বে ছিল ১৫ শতাংশ) দেওয়া।
টিআইবির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সরকারের গঠনের ১০০ দিনের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কমিশন গঠনের জন্য দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, মানবাধিকার সংরক্ষণ ও অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম একটি দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে। জবাবদিহিমূলক সরকার পরিচালনের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলো রহিত করা বা অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য স্থগিত করার মাধ্যমে কার্যত ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের মোটাদাগে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার রক্ষা, দুর্নীতি দমন এবং গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পেছনে হাঁটার ইঙ্গিত দেয়। তথ্য কমিশন গঠন ও তথ্য অধিকার আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতি না থাকা।
টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও কালোবাজারির ফলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়। জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে তিনজনের প্রাণহানি এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, তদারকির ঘাটতির কারণে সরকার-নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি।
টিআইবি বলছে, রাজস্ব খাত সংস্কারে সরকারের কৌশলগত দিকনির্দেশনা অনুপস্থিত। বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না বলা হলেও দেশীয় অর্থায়নে পদ্মা ব্যারেজ, দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতুনির্মাণ, নদী ও খাল খননের মতো মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ও কিছুক্ষেত্রে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অথচ তুলনামূলক কম ব্যয়ে তিস্তা প্রকল্পের জন্য বিদেশি অর্থায়নের উদ্যোগ বিতর্কিত। ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “বর্তমান সরকারের ১০০ দিনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা নাজুক ছিল। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, লুটপাট ও অরাজকতার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।”
তিনি বলেন, “সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন ও ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় লোকজনদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।”
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সরকার তার নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও খাতভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তবে খাত ও মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে সুশাসনের ঘাটতি, অনিয়ম-দুর্নীতিবিরোধী কঠোর ও সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও দিকনির্দেশনার ঘাটতি রয়েছে। অব্যবস্থাপনা ও দলীয় প্রভাব অব্যাহত, ঝুঁকি বিশ্লেষণমূলক কোনো কর্মকৌশলের অভাব, যা কার্যত বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকার পূরণে অন্তরায় হিসেবে কাজ করার ঝুঁকি তৈরি করছে।”
“অন্যদিকে রাষ্ট্র সংস্কার, বিশেষ করে জবাবদিহিমূলক সরকার ব্যবস্থার প্রত্যাশা পূরণের পথে প্রাতিষ্ঠানিক, আইনি, নীতিগত ও প্রক্রিয়াগত প্রতিবন্ধকতার অন্যতম ক্ষেত্র আমলাতান্ত্রিক ঝুঁকি নিরসনের সক্ষমতার ঘাটতি উদ্বেগজনক।”