নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি ও কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ওসমান গনীকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি তাঁর ছবি ব্যবহার করে তাঁকে ও তাঁর দলীয় আদর্শকে জড়িয়ে যে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা বা সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এবং তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি কুচক্রী মহল এই অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে।
মো. ওসমান গনীর সুনির্দিষ্ট দাবিগুলো হলো:
১. আনীত অভিযোগের সপক্ষে গ্রহণযোগ্য ও সত্য তথ্য-প্রমাণ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
২. সত্যতা যাচাই ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩. উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর সকল অপপ্রচার অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
৪. মিথ্যা তথ্য প্রচারের সাথে জড়িতদের তা প্রত্যাহার করে সংশোধনী প্রকাশ করতে হবে।
তিনি আরও বলিষ্ঠভাবে জানান যে, এ ধরনের অপপ্রচার অবিলম্বে বন্ধ না হলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
রাজনীতি হোক আদর্শ, যুক্তি, কর্ম ও জনসেবার প্রতিযোগিতা—ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা চরিত্র হননের হাতিয়ার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু কারও সম্মান ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে মিথ্যাচার করার অধিকার কারো নেই।
পরিশেষে ছড়িয়ে পড়া সংবাদটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিহিত করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং সর্বসাধারণকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিয়ে সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে থাকার আহ্বান জানান মো. ওসমান গনী। 8