রমজানের শিক্ষা বাস্তবায়নে সাম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ইজ্জত উল্লাহর
সাতক্ষীরা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ (এমপি) বলেছেন, মাহে রমজান আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। কুরআন নাজিলের এই পবিত্র মাসে একজন মুমিনের প্রধান দায়িত্ব হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তিনি রমজানের শিক্ষাকে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার যুগীখালী ইউনিয়নের বামনখালী হাই স্কুল ফুটবল মাঠে ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি ইজ্জত উল্লাহ বলেন, রমজান কেবল উপবাসের মাস নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা ও মানবিকতা অর্জনের অনন্য সময়। রমজানের শিক্ষা ধারণ করে বামনখালীসহ পুরো এলাকাকে একটি আদর্শ, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অন্যায়-অবিচারমুক্ত একটি স্বচ্ছ সমাজ উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি আরও বলেন, সিয়াম সাধনা মানুষকে লোভ-লালসা থেকে দূরে থাকতে এবং অন্যের অধিকার রক্ষায় সচেতন হতে শিক্ষা দেয়। একজন প্রকৃত মুমিন কখনো অন্যের হক নষ্ট করতে পারে না কিংবা দুর্নীতির সঙ্গে আপস করতে পারে না।
এমপি হিসেবে তিনি এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, কলারোয়ায় কোনো চাঁদাবাজ বা জুলুমবাজের স্থান হবে না। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর আব্দুল মান্নান সানার সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল লতিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম মুকুল, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো. ওসমান গনী, শূরা সদস্য মাওলানা ওমর আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. কামারুজ্জামান, নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হামিদ এবং কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আহমাদ আলী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা ক্বারী রফিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক মো. মোশারফ হোসেন, অধ্যক্ষ আশফাকুর রহমান বিপুসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


