ব্রেকিং নিউজ :

কলারোয়ায় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ন | ৩০৯
কলারোয়ায় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা

শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন

কলারোয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের আয়োজনে ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়া সংগঠক, ফুটবল রেফারি ও কৃতি খেলোয়াড়দের সম্মানে চা-চক্র ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৫টায় জামায়াতে ইসলামীর নিজস্ব অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাঃ কামারুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মীর রফিকুল ইসলাম, প্রাক্তন জেলা ফুটবল রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি মো. আব্দুর রহিম বাবু, মো. আব্দুল হামিদ, ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক মো. রেজাউল করিম লাবলু, বিশিষ্ট ধারাভাষ্যকার সহকারী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন, ফুটবল কোচ মাসউদুল ইসলাম মাসুদ, ক্রিকেট কোচ নাজমুল হাসনাঈন মিলন, ফুটবল রেফারি জি.এম. মাসউদ পারভেজ মিলন, কামরুজ্জামান বাবু, সাজেদুল করিম তপু ও বিশিষ্ট সাবেক কৃতি ফুটবলার জাহিদুর রহমান খান চৌধুরী। এ ছাড়া জেলা টিমের চারজন ক্রিকেট খেলোয়াড় ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কলারোয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মীর রফিকুল ইসলাম বলেন, কলারোয়া উপজেলার সকল কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র কলারোয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুলের ফুটবল মাঠ। মাঠটি সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য বর্তমান জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যের কাছে মাঠটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাঃ কামারুজ্জামান বলেন, ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কলারোয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুলের মাঠসহ আরও চারটি মাঠ সংস্কারের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, একমাত্র ক্রীড়াই যুব সমাজকে মাদক ও মোবাইলের আসক্তি থেকে বিরত রেখে দেশ ও সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগ যুবকদের নিয়ে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং সমাজ, জাতি ও দেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও খেলাধুলার প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে আলহাজ্ব মো. আব্দুর রহিম বাবু, রেজাউল করিম লাবলু ও মীর রফিকুল ইসলাম, প্রাক্তন কৃতি ফুটবলার শেখ আলতাফ হোসেন, ধারাভাষ্যকার হিসেবে মো. রফিকুল ইসলাম রফিক ও শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন, ফুটবল রেফারি হিসেবে ফারুক হোসেন স্বপন, মাসউদ পারভেজ মিলন, মোশাররফ হোসেন, সাজেদুল করিম তপু ও কামরুজ্জামান বাবু, ফুটবল কোচ মাসউদুল ইসলাম মাসুদ ও সাঈদ আলী এবং ক্রিকেট কোচ হিসেবে মাহমুদুল ইসলাম বাবলু ও নাজমুল হাসনাঈন মিলনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও সেরা খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।