ব্রেকিং নিউজ :

জামায়াতের বিরোধিতা নয়, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বিকল্প নেতৃত্ব দেখানোর আহ্বান


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১২, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন | ২৮৯
জামায়াতের বিরোধিতা নয়, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বিকল্প নেতৃত্ব দেখানোর আহ্বান
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কলারোয়া প্রতিদিন নিউজ ডেস্ক

দেশের সব ওলামায়ে কেরাম ঐক্যবদ্ধ হলে ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশকে ইসলামী রাষ্ট্রে রূপান্তর করা সম্ভব—আব্বাসী সাহেবের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি যৌক্তিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও ওয়ায়েজিন বজলুর রশিদ।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, জামায়াতে ইসলামীতে ওলামায়ে কেরাম নেই এবং দলটি গোমরাহ—এমন দাবি যারা করেন, তারা জামায়াতকে বাদ দিয়ে নিজেরাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি ইসলামী দল গঠন করছেন না কেন? আব্বাসী সাহেব ও জাতীয় মসজিদের খতিব ফকীহ আবদুল মালেক সাহেবের নেতৃত্বে দল গঠন করে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বজলুর রশিদ বলেন, জামায়াতের বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি রাম-বাম ও নাস্তিকদের সঙ্গেও ঐক্য করা সম্ভব হয়, তাহলে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য আলেমদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য গড়তে বাধা কোথায়?

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে উত্তম ও কার্যকর ইসলামী দল গঠন করে দেখাতে পারলে তিনি জামায়াতকে সমর্থন করা ছেড়ে দেবেন। তাঁর কাছে দল বড় নয়; বরং দ্বীন প্রতিষ্ঠায় কে কার্যকর ভূমিকা রাখছে, সেটিই বিবেচ্য।
বজলুর রশিদের বক্তব্য, জামায়াতে ওলামায়ে কেরাম না থাকলেও দলটি যদি দ্বীন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তাহলে আলেমদের উদ্যোগে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর দল গঠন সম্ভব না হলেও অন্তত দুজন মিলে খেলাফতের আহ্বান জানাতে পারেন। মানুষ সাড়া দেবে কি না, সেটি ভিন্ন বিষয়; তবে উদ্যোগ নেওয়াটা জরুরি।

তিনি বলেন, শুধু মুখে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে বাস্তবে কোনো উদ্যোগ না নিলে সেই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। জামায়াতের বিরোধিতাই যদি একমাত্র লক্ষ্য হয়, তাহলে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও উম্মাহর ঐক্যের দাবির সঙ্গে সেই অবস্থানের সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেবে।

বজলুর রশিদ আরও আহ্বান জানান, জামায়াতে ইসলামী ভুল করলে দলিল দিয়ে তা প্রমাণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিজেদের পথকে সঠিক মনে করলে বাস্তব কাজের মাধ্যমে তার কার্যকারিতা দেখাতে হবে।

তিনি বলেন, কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে—ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও উম্মাহর ঐক্যের ব্যাপারে কারা সত্যিকার অর্থে আন্তরিক।