
ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে টার্গেট কিলিং ও সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। কাইল্যা পলাশসহ সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, আধিপত্য বিস্তার ও পুরোনো শত্রুতা। গোয়েন্দা সূত্রে উঠে এসেছে নতুন ও পুরোনো গ্যাংয়ের সংঘর্ষের তথ্য।
ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে খুনোখুনি হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীতে টিটন ও মামুনকে হত্যা এবং কাইল্যা পলাশের ওপর হামলার কারণ হিসেবে এসব তথ্য দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা।
সবশেষ ১২ জুন দুপুরে রামপুরায় নিজ বাড়ির সামনে গুলিবিদ্ধ হন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশ। গোয়েন্দারা তথ্য দিয়েছে, এই কিলিং মিশনে অংশ নিয়েছে ১২ জন। তারা ২টি মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারে আসেন। পলাশের মাথায় একটি গুলি লাগে, ব্যবহার করা হয় ৭ দশমিক ৬৫ মিলিমিটারের বুলেট।
ডিএমপির তেজগাঁও জোনের ডিসি মো. ইবনে মিজান জানান, মোটরসাইকেলে আসা সন্ত্রাসীরা শুটিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন। আরেকটি গ্রুপ অপেক্ষা করে রামপুরা টিভি ভবনের সামনে। কিলিং মিশনে থাকা একজন গ্রেপ্তার হয়েছে।
তেজগাঁও জোনের ডিসি আরও জানান, দীর্ঘদিন কারাগারে থাকায় অনেক সন্ত্রাসীর পুরোনো নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়েছে। এই সময় মাথাচাড়া দিয়েছে নতুন গ্রুপ। তাই বিরোধ দেখা দিয়েছে।
এদিকে কাইল্যা পলাশের মায়ের দাবি, শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান ও শফিকুল ইসলাম বাদশা এই হামলায় জড়িত। পুলিশ কর্মকর্তা ফজলুল করিম খান হত্যা মামলার এপ্রিলে ডেমরা থেকে গ্রেপ্তার হয় বাদশা। পলাশকে কয়েকবার হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি আমেনা বেগমের।
(নিউজ ডেস্ক ইনডিপেনডেন্ট)
আপনার মতামত লিখুন :