
কলারোয়া প্রতিদিন নিউজ ডেস্ক :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক এজেন্ডা গোপনে বাস্তবায়নের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তিন নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন— গুমান্তলী গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিম সরদার, পশ্চিম কৈখালী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার রুহুল কুদ্দুস এবং মুন্সিগঞ্জ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সাহাবুদ্দীন গাজী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে এই তিন নেতা ‘পেইড দালাল’ হিসেবে কাজ করেছেন এবং বর্তমানেও দল নিষিদ্ধ হওয়ার পর গোপনে দলীয় কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
দফায় দফায় গ্রেপ্তার, প্রভাব খাটিয়ে মুক্তি
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও এই নেতারা গোপনে সভার আয়োজন ও মাঠপর্যায়ে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা চালান। এই অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের কয়েকবার গ্রেপ্তারও করে। তবে প্রতিবারই পর্দার আড়ালের ‘বড় হাত’ ও প্রভাব খাটিয়ে তারা বিভিন্নভাবে জেলহাজত থেকে জামিনে বা অন্য উপায়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। কারাগার থেকে বের হয়েই তারা পুনরায় একই অপতৎপরতায় লিপ্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অতীতের দালালির খতিয়ান ও বর্তমান তৎপরতা
অভিযোগে জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে এলাকায় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখতেন। তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী নেতাদের সুনজরে থাকতে তারা বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন ও মামলা-হামলার নেপথ্যে ভূমিকা পালন করতেন। বর্তমানে দলের কোনো আইনি অস্তিত্ব না থাকলেও, তারা মাঠপর্যায়ে দলটিকে আবার চাঙ্গা করতে এবং পূর্বের এজেন্ডা বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
“এরা বিগত দিনেও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এখন দল নিষিদ্ধ হওয়ার পরও তারা ষড়যন্ত্র থামাচ্ছে না। শ্যামনগর থানার পুলিশ এদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল খানাতে প্রেরণ করেন।
আপনার মতামত লিখুন :