
নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের বৈদ্যপুর গ্রামের বাসিন্দা মরহুম মোঃ আবুল কাশেম মোড়লের জানাজা সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১১টায় বৈদ্যপুর গায়ের পুকুর ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ওসমান গনী, ইউনিট সদস্য মাওলানা মোঃ ওমর আলী, কলারোয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামরুজ্জামান, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম, জালালাবাদ ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল মোনায়েম ও ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ মোঃ এরফান আলী। এ সময় জালালাবাদ, জয়নগর ও যুগিখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। জানাজায় এলাকার অসংখ্য মুসল্লি ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এদিকে, মরহুমের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ আজিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাঃ কামারুজ্জামান, সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম।
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, “মরহুম আবুল কাশেম একজন গুণী, পরহেজগার ও সাদাসিধে জীবনযাপনে অভ্যস্ত মানুষ ছিলেন। আমরা তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা ও রহম করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত ও নূরে পরিপূর্ণ করুন, গুনাহসমূহ ক্ষমা করে নেকিতে পরিণত করুন, কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী সব মঞ্জিল সহজ ও কল্যাণময় করে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।”
আপনার মতামত লিখুন :