ব্রেকিং নিউজ :

বাজেটে বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে থাকছে বড় বরাদ্দ, ভর্তুকি চাহিদা ৭০ হাজার কোটি


প্রকাশের সময় : জুন ৪, ২০২৬, ৪:৪৫ পূর্বাহ্ন | ১৬৯
বাজেটে বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে থাকছে বড় বরাদ্দ, ভর্তুকি চাহিদা ৭০ হাজার কোটি

সামনে অর্থবছরের বাজেটে এডিপির প্রায় ১১ শতাংশ বরাদ্দ থাকছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। সেই সঙ্গে ভর্তুকির চাহিদা থাকবে কমপক্ষে ৭০ হাজার কোটি টাকা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত খরচের চাপ সামলাতে দেশীয় গ্যাস উত্তোলন বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। আর মন্ত্রী বলছেন, নীতি কাঠামোতে জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের জন্য উন্নয়ন বরাদ্দ আগের বছরের চেয়ে ২৫ শতাংশ কমে রাখা হয় ২২ হাজার ৫২০ টাকা। সামনের বাজেটে এ খাতে এডিপির প্রায় ১১ শতাংশ বা ৩২ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এছাড়া, উৎপাদন খরচের চেয়ে ভোক্তার কাছে ৪০ শতাংশ কম দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে হয়। এতে প্রতি অর্থবছরই বড় অংকের ভর্তুকি গুনতে হচ্ছে সরকারকে। ইউনিট প্রতি দেড় টাকা পর্যন্ত বাড়লেও ভর্তুকির চাহিদা থাকছে ৪৫ হাজার কোটি।
এদিকে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম বাড়ায় গ্যাস খাতে সামনের ৬ মাসেই ভর্তুকি লাগতে পারে ২৫ হাজার কোটি টাকা। এমন অবস্থায় দেশিয় গ্যাস উত্তোলন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলেন, ‘আমাদের ডোমেস্টিক এক্সপ্লোরেশন যেটা চালুআছে, টাকা; ফান্ডিং দিয়ে সেটা চালু রাখতে হবে। এখন প্রোডাকশন ১৭০০–তে নেমে গেছে; এটা দুই হাজারে আনতে হবে। বাকিটা এলএনজি আকারে ইনপুট করতে হবে।’
গত দেড় দশকের বেশি সময় টেকসই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত গড়ে তোলায় বিগত সরকারের উদাসীনতা ছিলো বলে মনে করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, আমদানি নির্ভরতা কমাতে জোর দিচ্ছে বর্তমান সরকার।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, অনেক বড় বড় কথা, জিনিস করা হয়েছে, কিন্তু জ্বালানির নিরাপত্তা আমরা দিতে পারিনি। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য চেষ্টা করছি।
নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের প্রসারে সোলার প্যানেল, যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কছাড়সহ নীতি সুবিধা দেয়া হতে পারে আসছে বাজেটে।

(নিউজ ডেস্ক ইনডিপেনডেন্ট টিভি)