ব্রেকিং নিউজ :

দিনে বিএনপি, রাতে গুপ্ত ষড়যন্ত্রের কারণে চার আসনে হার: আইনমন্ত্রী


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ন | ৮৯
দিনে বিএনপি, রাতে গুপ্ত ষড়যন্ত্রের কারণে চার আসনে হার: আইনমন্ত্রী

কলারোয়া প্রতিদিন নিউজ ডেস্ক:
বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের পরাজয়ের পেছনে দলের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার বিকেল পাঁচটায় সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জয়লাভ করেন এবং বিএনপির প্রার্থীরা পরাজিত হন। এ প্রসঙ্গে তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, সাতক্ষীরার চারটি আসনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের পেছনে স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। কার কার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রয়েছে, তাঁর তালিকা ও তথ্যপ্রমাণ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, দিনে দলীয় রাজনীতি এবং রাতে প্রতিপক্ষের সঙ্গে গোপন আঁতাত বা ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনবোধে অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ মেনে চলতে হলে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। নির্বাচনে দল যাকে মনোনীত করবে, তার পেছনেই সবাইকে থাকতে হবে।
আইনমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার সময় নেতাকর্মীদের ব্যক্তিকেন্দ্রিক মনোভাবের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ব্যক্তি নয়, বরং ‘আমরা’ চেতনা এবং ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’Ñএই মূলনীতি ধারণ করেই সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।
এ ছাড়া চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার মতো অনৈতিক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন, যত ত্যাগী নেতাকর্মীই হোন না কেন, এসব অপরাধে জড়ালে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং সরাসরি আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ এবং সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।