
আশাশুনি প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর আশাশুনি উপজেলার কোলা-ঘোলা ও কল্যাণপুর থ্রি-নজ এলাকায় প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের উদ্যোগে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের ডি.ও.লেটারের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ প্রস্তাবিত সেতুর স্থান পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রবিবাট (১২ জুলাই) সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রউফের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করবেন।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী,প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। প্রতিনিধি দল সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা,কারিগরি বিষয়, নদীর অবস্থান,সংযোগ সড়কসহ বিভিন্ন দিক সরেজমিনে পর্যালোচনা করবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,কোলা-ঘোলা ও কল্যাণপুর থ্রি-নজ এলাকায় একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে বছরের পর বছর ধরে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হয়ে আসছেন। শিক্ষার্থী,কৃষক,মৎস্যচাষি,ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন যাতায়াতে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। বর্ষা মৌসুমে এ দুর্ভোগ আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,প্রস্তাবিত সেতু দুটি নির্মিত হলে যোগাযোগব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। কৃষি ও মৎস্য খাতের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সহজ হবে,শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
স্থানীয়রা মনে করছেন,সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আন্তরিক উদ্যোগের ফলেই সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া দৃশ্যমান অগ্রগতি লাভ করেছে। রবিবারের পরিদর্শনের পর প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও কারিগরি মূল্যায়ন শেষে প্রয়োজনীয় পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘদিনের স্বপ্নের এ সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রবিবারের পরিদর্শনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন আশাশুনীর সর্বস্তরের মানুষ। তাঁদের প্রত্যাশা,দ্রুত প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :